ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রাইব্যুনালে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের বাগ্‌বিতণ্ডা, আপত্তি 

ব্রিফিংয়ে জানালেন প্রসিকিউটর

ট্রাইব্যুনালে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের বাগ্‌বিতণ্ডা, আপত্তি 
×

ব্রিফিংয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই প্রসিকিউটর

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৩৪ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৩৮

জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের এক মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য গ্রহণের সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ‘চিৎকার-চেঁচামেচি’ করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সোমবার তিনি সাংবাদিকদের জানান, মামলার একজন সাক্ষী মো. হানিফ তার জবানবন্দির একপর্যায়ে যখন বলেন, ‘২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের নেতারা কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তখন প্রসিকিউটর এবিএম সুলতান মাহমুদ তাকে (সাক্ষী) জিজ্ঞাসা করলেন, এই নেতারা কারা? এই প্রশ্নটা অবৈধ দাবি করে কাঠগড়ায় থাকা আসামি কামরুল ইসলাম চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন এবং আপত্তি জানান।’

এ সময় কামরুল ইসলাম বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করেন উল্লেখ করে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আদালত অত্যন্ত শান্তভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করেছেন। প্রসিকিউশনের উদ্দেশ্য একটাই- আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা প্রমাণ করা। আর প্রমাণের জন্য যে প্রশ্ন করা দরকার, সেটাই প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ বৈধভাবে করেছেন। আসামির বিভিন্ন অপশন থাকতে পারে।’

তিনি জানান, আসামি নিজে দাবি করেছেন, তিনি ৪০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবী। তবে প্রসিকিউটরের প্রশ্নে কোনো অবৈধতা ছিল না, তিনি বৈধ প্রশ্ন করেছেন। ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের বক্তব্য সমর্থন করেছেন এবং এ প্রশ্ন করার শেষ পর্যন্ত অনুমতি দিয়েছেন।

এ পর্যায়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, পরেও শুনলাম, তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন। এটা আমরা মাঝেমধ্যেই দেখতে পাই। তিনি কেন করেন, এটা আল্লাহই ভালো জানেন।

সাবেক দুই মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারা দুজনেই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।
 

আরও পড়ুন

×